পোস্টগুলি

বোধিবৃক্ষে হয়ে আছি সবুজ পুণ্য

দেখেছি পৃথিবী এক পলক পড়ার মত সুধীর চলন তারাতোলা আকাশ শরীরে যার বিজলী ধনুক আষাঢ় অধীর রাতে বুক পাতি জল নির্জন... এখন আমরা যেন পৃথিবীর নই বোধিবৃক্ষে হয়ে আছি সবুজ পুণ্য, এই বজ্রগর্ভ রাতে ইথারে ছড়িয়ে তার শ্লোক বুকে লই হৃদি জাগো হৃদি জাগো রাত্রিশ্মশানে দোলে থৈ থৈ কৃষ্ণবাতাস সুপ্ত পয়ার প্রেমে প্রতীকহীনারে তুলে আনো, ঘুমলি তেপান্তর ছেয়ে যেন নারীর স্বভাব ছুঁড়ে দাও, মুদ্রা যত জানো আহা পলক পড়ার মত সুধীর চলন তার রূপরাশি প্রাণের মোহন তারাতোলা আকাশ শরীরে ছিল চুপ গজলের সুর জেগে ছিল মহেন্দ্রক্ষণ মাভৈ মাভৈ যাও বুক পাতো নীল নির্জনে চোখ জাগো ভোর দেখ রূপরাশি দিন বর্ষায় অন্ধ অন্ধ হোক চিতাচোখ হরিণ মায়ায় =========***========= 17/06/2011

লিরিকানুবাদঃ Mere Nainaa Saavan Bhaadon

চোখে আমার আষাঢ় শ্রাবণ তবু মনে পিপাসা তবু মনে পিপাসা উদাসী এই মনে, কী খেলা কে জানে ব্যথা ভরা গান, কোথা থেকে যে কণ্ঠে ভেসে আসে, সুদূরের আভাসে ভুলেছ তুমি, ভুলে ভুলেও মনে রেখেছি আশা, তবু মনে পিপাসা পুরনো সব কথা, জীবনের কথা এখন মনে হয় ভুলে গেছ তুমি নয় কিছু ভোলনি, বৃষ্টিনাচের কাহিনী মৌসুম ফেরে, দেয় ফিরিয়ে মিছে মনের আশা, তবু মনে পিপাসা দিন তো চলে গেছে, মনে সে আজ পড়েছে বিজলী হয়ে যেন আকাশের গায় ভেসেছে অতীতরেখা, পেয়েছি তোমার দেখা মন আর চোখের অবোধ খেলায় খেলছে আশা-নিরাশা, তবু মনে পিপাসা ======================== Get this widget | Track details | eSnips Social DNA (hmm hmm, haa haa haa) -2 (mere nainaa saavan bhaadon (phir bhi meraa man pyaasaa..) -2 ) -2 ai dil deevaane, khel hai kyaa jaane dard bharaa ye, geet kahaaN se in honThon pe aaye-ey-ey, door kahin le jaaye bhool gayaa kyaa, bhool ke bhi hai mujhko yaad zaraa saa.., phir bhi meraa man pyaasaa baat puraani hai, ek kahaani hai ab sochooN tumhen, yaad nahin hai ab sochooN nahin bhoole-ey-ey, vo saavan ke jhoole rut aaye rut j...

অনুবাদঃ I Am Not Alone

মুলঃ I Am Not Alone by Gabriela Mistral আমি তো একলা নই আসমুদ্রহিমাচল একাকিনী রাত এই তোমাকে যে দোলা দেয় সে আমি তো একা নই ! আকাশও একলা খুব সাগরে ভেসেছে চাঁদ তোমাকে যে ধরে আছি আমি তো তোমারি হই ! ধু ধু এই পৃথিবীর শরীরে লেগেছে শোক তোমাকে জড়িয়ে তবু আত্মায় মিশে রই ! ========= I Am Not Alone The night, it is deserted from the mountains to the sea. But I, the one who rocks you, I am not alone! The sky, it is deserted for the moon falls to the sea. But I, the one who holds you, I am not alone! The world, it is deserted. All flesh is sad you see. But I, the one who hugs you, I am not alone! ============== June 13, 2011

অতন্দ্রিতা, একদিন তুমিও ঘুমিয়ে ছিলে

সুচারু আলোয় লেন্সের কুয়াশা মুছে ফেলেছিল সেইদিন সমুদ্রমুসাফীর লোনা হাওয়ায় উডস্পাইস - নীলাঙ্গ আকাশের তলে ডাবসবুজের দেশে কঙ্গোর তালে তালে গুরিয়া রানী’র নাচ তার সাথে নেচে নেচে সহস্র সোনালী হীরের মত রাজফড়িং মুছে দিচ্ছিল নৈঃশব্দ্যের পরিচয়... কিছু কিছু চিহ্নাবলী আনে ভুল সংকেত দৈবলব্ধতা বলে কিছু নেই - কিছু নেই কিছু কিছু মোমরাতে লেগে থাকে গুপ্তির ধার পুড়ে যাওয়া শর্ষেজমিন জীয়ন আঙ্গুলে থাকে উচ্ছন্নের ফ্যান্টাসি কেউ কেউ চিরকাল ঘনায়মান অন্ধকারে আক্রান্ত থেকে যায় কারো আঁধারতাপে জ্বলে গেল সারি সারি আমলকী বন কারো কারো সঙ্গোপন - ঝলমল দিনদুপুর কেউ জানে বিজুলি গুমর কারো বুকশ্বাসে দিগন্তদখিণার ঘোড়সওয়ার, তরু তরুণের বৈকুণ্ঠ কারো ঝুলনের চাঁদ যোজন নক্ষত্র দূর কারো পাললিক মনে ভেসে এলো সেইদিন সীতাকুণ্ডের কুয়াশায় মেঘের নেকাব থেকে চাঁদ – চারিদিকে স্বর্ণহিম কুয়াশায় জ্যোৎস্নার মত অবোধ্য আলো আর একটি নিদ্রিতা নদী হঠাৎ স্রোতস্বিনী হয়ে উঠল খুলে গেল তার ছন্দ দুয়ার আহ প্রবহণ, কী তীব্রতা তার ! নৈর্ঋতে হরিণছাপ চাঁদ দিলহারা নক্ষত্র বাসর আর আমাকে আহত করেছিল ঠোঁট বর্জিত শঙ্খ নিঝুম তার অন্দরে পাতাল মৌনি তার শরীরে জলোচ্ছ্বাসের ...

অনুবাদঃ La Belle Dame Sans Merci, Bright Star

মূলঃ La Belle Dame Sans Merci by John Keats ক্ষমাহীনা কেন এমন অসুখে পড়লে বিষাদ পুরুষ প্রাণহীন নিঃসঙ্গ ঘুরে ঘুরে হ্রদে জলপাতারা সব শুকিয়ে পড়েছে দেখ বন্ধ হয়েছে পাখিগান কী করে এমন অসুখ বাধালে যুবক উচ্ছন্নের দৃষ্টি তোমার কাঠবিড়ালীর শস্যভান্ডার পূর্ণ হয়ে গেছে, শেষ হোল ফসল গ্রহণ তোমার ভ্রুতে এক পদ্ম লেগে আছে যাতনার ঘামে লেগে আছে জ্বরের শিশির তোমার গালে লেগে আছে আভাহীন গোলাপের রূপ তার বুকে দ্রুত শুকিয়ে যাবার তাড়া...... আসলে আমি এক মেয়েকে দেখেছিলাম ঘাসের সে দেশে সুন্দরীতমা, পরীর সে মেয়ে দীঘল চুলে, পায়ে বৃন্দার ছন্দ তোলা মেয়ে চোখ যার বনের আদিম ছুটে চলা ঘোড়ার ভ্রমণ পথে স্থির আমি বসিয়েছি তাকে সারাদিন কোনকিছু দেখি নাই আর ঝুঁকে পড়ে একদিকে সরে গেয়েছে সে অপার্থিব গান পুষ্পমুকুট বানিয়ে দিয়েছি আমি কংকন, তা-ও; দিয়েছি সুরভী আঙ্গিনা আমি তাকে সেও দেখেছে আমাকে, যেন প্রীতির সে চোখ সে ডেকেছে, মিষ্টি সে ডাক সে আমাকে দিয়েছিল মিষ্টি বৃক্ষ শিকড় বন থেকে খুঁজে আনা মধু, স্বর্গ সন্দেশ আর অবাক ভাষায় বলেছে আমাকে খুব ভালবাসি সে আমাকে নিয়ে গেছে তার সেই কুহক কুয়ায় আমাকে অতল দেখে দেখে ফেলেছে সে দীর্ঘনিশ্বাস আমি এক গভীর চুম...

দৃষ্টিদহন থাকে অস্ত আলোয়

ঘুরপথে ডাকনাম অশ্রুত থেকে গেছে অশ্রুত থেকে গেছে সবচেয়ে সেরা রূপকথা অদেখাই রয়ে গেছে নীলতম জোনাক জ্বলন বিষের আঁখর, আরো কত শত অপরূপ কথা ছম-ছম ছায়া নৃত্যের এই সন্ধ্যায় মনে হলো, ভুলে যাওয়াও এক প্রচ্ছন্ন সংগ্রহ ভুলে যাওয়া ম্যাজিক ভোরের মুখ, ক্যাফেইনের রঙ... এরপর অবিশ্রান্ত স্পষ্টাস্পষ্টি রোদ বনবাসী মনে সন্ধ্যাঅন্ধকারে অরণ্য জেগে আসে শ্যামদেহে অতসীর তারা, আমি অগণন বকুলপাতের তলে বুক পেতে দেই বুকের ভ্রমর গানে বন্ধুবৃষ্টি এলে যমুনা আঁচল খুলে নদী সরে যায় পোড়াবাড়ি দিক করে হাসতে গড়িয়ে যায় জলের ফিনিক পাখিবদ্ধ আকাশে ঘুম ঢলে আসে ঘুমের জগতে থাকে চোখখোলা ঘুমের অতল...... এই পাতালদুর্গে শোকজাগিনা আমি রাত-ভোর-দিন শুধু পাতাঝরা খরার চিহ্ন মুছে যাই - পাথর ফাটিয়ে নাচঝর্না ফোটাই জানি তার জল মেশে নাই দীঘল নদীর ঢেউ যার পাড়ে পড়েছিল ঝিনুক-বাটির দিন কাশফুল, শুদ্ধ অবকাশ বিশোক অন্ধকারে অরণ্য জেগে ছিল শ্যামদেহে অতসীর তারা মুগ্ধমুখের কাছে জেগে জেগে উঠেছিল নীল নীল হীরের ঝিলিক; চৈত্রের চুমুকপ্রহরে ঠোঁট জুড়ে ছেয়েছিল মদের শীতল তারপর সংহার, তারপর আগুন পিপাসা তারপর অস্ত আলোর আঁচে দাউ দাউ অন্তপশ্চিম ===========================...

রতনপুরের ডাকপিয়ন

আকাশ এমন ব্যাকুল ছিল সন্ধ্যারেখার আগে বৃষ্টিনীলে ভাসিয়ে নিল রাত্রি যখন জাগে রতনপুরের ডাকপিয়নের বাড়ি ফেরার পথে আকাশ যেন ভেঙ্গে পড়ে রতনপুরে – রাতে প্যাডেল জোরে চাপে হারান কোথায় পড়ে বাজ রতনপুরের হারান করে ডাকপিয়নের কাজ। এক মেয়ে তার নামটি খুকি, মা মরা সেই মেয়ে সাত বৈশাখ ঠিক করেছে হারান মেয়ের বিয়ে। বৃষ্টি ঝরে আকাশ থেকে বৃষ্টি ঝরে মনে কন্যা দায়ে পিতা তবু আঙ্গুলে দিন গোনে বেনারসী কিনেছে সে আজকে শহর থেকে এমন দিনে বৃষ্টি এত এলো কোথা থেকে? শেফালী তার বউটি যখন মরেই গেল হায় ছোট্ট খুকি তখনো যে মাতৃদুগ্ধ খায় মায়ের আদর পায়নি খুকি বাবা সে তার জানে আগলে ধরে বুকের ভেতর মেয়ের জীবন বোনে খুকি যে তার জীবন-মরণ খুকি যে তার আলো খুকি যে তার আঁধার মানিক, মায়ের মত এলো আজ বৃষ্টি, খুব বৃষ্টি আকাশে ও চোখে প্যাডেল জোরে চাপে হারান পিছন ফিরে দেখে আঙ্গুল ধরে প্রথম যেদিন পাঠশালা সে গেল পৌঁছে দিয়ে ফেরার বেলা কান্না জুড়ে দিল বাবারও যে চোখ ছল ছল বিকেল বেলায় ফিরে হাতে চুড়ি, ডাকে ‘খুকি, কোথায় গেলি মা রে’--- খুকি এসে জড়িয়ে ধরে বলল, ‘বাবা এলে? চুড়ি আমার চাই না; বল কেন চলে এলে?’ চলে যাওয়াই সত্যি কেবল চলে যাওয়াই রীতি ডাকপিয়নের বু...

বোশেখশাণিত দিন

মায়াবিশারদ, তুমি কার গাঢ় কাজলের নীচে খোঁজো পাথরছায়া? তুমি খোঁজো অনুতাপহিম মেদুর নোনা আন্দামানের চোখ আজ শহর গলিতে তোমার বেথুনগন্ধ হাওয়া মেলায় শহর রাস্তায় শাড়ি-চুড়ি, চোরা চোখে ক্যাটগ্রেইস... কবি দেখেছো আজ বোশেখশাণিত দিন, জন্ডিস, হলুদ টক্সিন... ভিড় ঘামে বদ্ধ শহরে তবু রোচনার সিঁদুরসিঁথি থেকে ছিটকে উঠেছে আলো এই নগর আজ আরশিনগর পিঞ্জরে লাভবার্ডস চিক টু চিক, ভুলে থাকে নিশানার দূরাগত পরিযায়ী সুখ ভুলে যাওয়া ধীর, ধীর মৃত্যুর মত প্রতীক্ষা দীঘল একদিন গাঢ় কাজলের নীচে তুমি খুঁজেছিলে পাথরছায়া তারও আগে বৃষ্টিচুর সন্ধ্যা অন্ধকারে হারিয়ে ফেলেছো তুমি ধ্রুপদী মুদ্রা পথ হারিয়ে ফেলেছো কবি এক চিঠি গান মেঘপাখি ঠোঁট থেকে প্রার্থনার পদ্যহরফ তার যত শব্দ - সব পাখি আর বৃক্ষ - কবিতা শরীর কবি কারো বুকের কাছে গান; সব কথা বলে দিলে গান সব চুপ - কবিতা... মৃত্যুনীল আকাশ তোমার দুই বাহু ছড়িয়ে খুঁজেছে ঘুমের শান্তি ঝাপসা হয়ে ওঠা রূপসার দূর পাইন ছায়া হ্রদ অনুতাপ হিম কবি আজ তুমি দেখেছিলে বোশেখের দিন মেদুর আন্দামানের চোখ, মানুষ আর নগরের ঋন কবির শহর আজ ড্যাফোডিল

পুষ্পময়ী জেনো তুমি

আকাশজুড়ে মেঘ নেমেছে গুহার অতল কালোর খোঁজে জল জমেছে একটি নদী শালিক চোখের মণির মাঝে জলরঙা শীত মুখচ্ছবি না ছেঁড়েনি, ছোঁয়নি তাকে তারায় তারায় উড়ে গেছে গন্ধ তোমার আকাশরেখা কার কারণে? পুষ্পময়ী জেনো তুমি হাওয়ার আদর ফুল জানেনি দাহ থেকে উড়ল যখন আগুনপাখি অগ্নিদীপার আলোয় তখন বিভোর কবর এই সমাধি আলোকপ্রবণ এই সমাধি রঙ জিনিয়ায় এই সমাধি নিজের মতন সুনীল নদী ধীরার মতন চিরায়ত গানের মতন এই সমাধি অরূপরতন ঘুমকিশোরের ঘুমের মতন সাকির কোনো দানের মতন এই সমাধি দীঘল নেশা মায়ায় পড়া নীলের প্লাবন পুষ্পময়ী জেনো তুমি তারায় তারায় উড়েই গেছে সুবাস তোমার আকাশরেখা হাওয়ার পাখি উড়ল যখন শিউলি মেঘে পুষ্পশাদায় কৃষ্ণকলি দাগ পড়েছে উঠোন আমার; জাদুরূপের ছাপ পড়েছে ভীষণ গোপন... সাতমহলার বুক প্রাসাদে স্বর্ণধুলো জমিয়ে রাখা নিরল কোণে দাগ পড়েছে ইতির শেষে শেষের মতন

তার চোখ কুড়িয়ে পেয়েছি আমি বকফুল, ঘাসে

তার চোখ কুড়িয়ে পেয়েছি আমি বকফুল, ঘাসে আশাতীত ভোরে ছড়িয়ে দেখেছি আমি একমুঠো নীল মার্বেল বর্ণালি রোদন শিশির কাল রাতে জ্যোৎস্নাপ্রলয় শেষে হাতেই ছুঁয়েছি আমি হেমলুব্ধক পথের সিলিকায় ছড়িয়ে দিয়েছি আমি পুমা’র চোখের মত ক্ষিপ্র জ্বলন ডাকনাম তার কুড়িয়ে নিয়েছি আমি অশ্বখুরের আগে এই বাতাবি’র মৌসুমে কার আর ভাল লাগে রাত্রিমূঢ়তা আর দৃষ্টিবারণ? এই শালফুল মহুয়ার দেশে যখন করুণার মত কোমল সন্ধ্যা নেমে আসে মেঘরথ পুষ্পকের মত ছুটে আসে বরষায় তখন সন্ধ্যাভাষার কাছে ফিরে আসে ঢুলুঢুলু বৃথা উড়ানের ম্যাগপাই তখন একটা নির্জন সাইকেল আমার দেহকে বয়ে নেয় লরেল সারির মাঝে পরাঙ্মুখ জোনাকপ্রভায়... হায় ছায়া অনুসরণ ! দূরত্বের মত এত ব্যথা নাই কারো ভ্রুতে জেগে ওঠা কনে দেখা আলোর মত এমন করুণ আলো নাই আর সংকেত কে বোঝে, কার দিন চলে যায় রঙখেলা- স্নানে? পড়ে রয় লং দারুচিনি’র শূন্য কৌটোর অন্দরে গন্ধের বিষ তবু এই শ্যামাঙ্গনে মুছে রাখি বৈশাখি মেলার তিজেল ধানশিষ সবুজ ছড়িয়ে দিয়ে বিকেল গড়িয়ে গেলে আমিও নিরল খুঁজি হরিণরাখাল তার চোখ কুড়িয়ে পেয়েছি আমি বকফুল, ঘাসে তখন সকাল